
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান কোনো চাপ, টার্গেট বা পক্ষপাতিত্বের ভিত্তিতে হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির সচিব সাইদুর রহমান খান। তিনি বলেন, নিয়ম মেনেই এ অনুসন্ধান পরিচালনা করা হচ্ছে।

সোমবার দুদকের এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন দুদক সচিব।
সম্প্রতি সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার এবং কোটি টাকার পদায়ন-বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে দুদক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন, সরকারের ইচ্ছায় দুদককে ব্যবহার করা হচ্ছে।
আসিফ মাহমুদকে কোনো নির্দিষ্ট কারণে টার্গেট করা হয়েছে কি না-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সাইদুর রহমান খান বলেন, দুদকের কোনো টার্গেট বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন পাঁচ মাসের বেশি ছিল না। যেগুলো আমাদের পেন্ডিং রয়েছে, সেগুলো নিয়ে কাজ চলছে। পাইপলাইনে আরও আছে। সময়মতো সবগুলো আপনাদের সামনে উপস্থাপিত হবে।
এদিকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক ও তার ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে ২৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ এবং প্রায় দেড়শ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অন্যদিকে ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধেও মামলা করেছে দুদক।
এসব মামলার বিষয়ে দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭-এর ১ ধারা, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪-এর ২ ও ৪-এর ৩ ধারায় কমিশন এজাহার দায়েরের অনুমতি প্রদান করেছে। অর্থাৎ মোট দুটি মামলার অনুমোদন প্রদান করেছে।
এদিকে নকশা অনুমোদনে জালিয়াতি এবং যথাযথভাবে ভবন পরিদর্শন না করার অভিযোগে সোমবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুদক।
মন্তব্য করুন