skynews
২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

প্রশাসনের সঙ্গে সরকারের দূরত্ব বাড়ছে? সমন্বয়হীনতায় বাড়ছে উদ্বেগ

প্রশাসনের সঙ্গে সরকারের দূরত্ব বাড়ছে? সমন্বয়হীনতায় বাড়ছে উদ্বেগ

একটি নির্বাচিত সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক নেতৃত্বের নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবে কার্যকর করার দায়িত্ব মূলত প্রশাসনের ওপরই বর্তায়। ফলে সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতার সঙ্গে আমলা, পুলিশ ও মাঠ প্রশাসনের দক্ষতা এবং সহযোগিতার বিষয়টি সরাসরি জড়িত।

প্রশাসনের সঙ্গে সরকারের দূরত্ব বাড়ছে? সমন্বয়হীনতায় বাড়ছে উদ্বেগ

তবে অতিরিক্ত আমলানির্ভরতা যেমন একটি রাজনৈতিক সরকারকে জনগণ থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে, তেমনি প্রশাসনকে পাশ কাটিয়ে কোনো সরকারি কর্মসূচিও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এ কারণে রাজনৈতিক সরকার ও প্রশাসনের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক থাকা জরুরি।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাস পার করেছে। নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও সরকারের মধ্যে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আন্তরিকতা ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার আকাঙ্ক্ষা রয়েছে-এমন একটি চিত্র গত ছয় মাসে পাওয়া গেছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ-এমন বার্তাও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে স্পষ্ট হয়েছে।

তবে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক ও সমন্বয়ের বিষয়টি এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। সরকারের একদিকে প্রশাসনের সব অংশের ওপর আস্থা তৈরি হয়নি, অন্যদিকে প্রশাসনের একটি বড় অংশও সরকারকে পুরোপুরি আপন করে নিতে পারছে না। ফলে আস্থা ও অনাস্থার এই টানাপড়েন সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রভাব ফেলছে বলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।

আমলানির্ভরতার ঝুঁকি

একটি সরকার যখন জনগণের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে, তখন আমলা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর তার নির্ভরতা বাড়তে থাকে। আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলকে এর একটি বড় উদাহরণ হিসেবে দেখছেন সমালোচকেরা।

২০১৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচন থেকে শুরু করে ২০১৮ সালের নির্বাচন পর্যন্ত প্রশাসন ও পুলিশের একটি অংশের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক কাঠামোর ওপর আমলাতন্ত্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রভাবও বাড়ে। এর ফলে কিছু কর্মকর্তা অতিরিক্ত ক্ষমতাবান হয়ে ওঠেন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা অনেক ক্ষেত্রে সংকুচিত হয়ে পড়ে।

২০২৪ সালের আগস্টের আন্দোলন দেখিয়েছে, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কোনো সরকারকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখতে পারে না। একই সঙ্গে প্রশাসন অতিরিক্ত দলীয়করণে আক্রান্ত হলে কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পদোন্নতি ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে।

See also  মাধ্যমিক শিক্ষকদের সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ শেষ করার নির্দেশ

আবার প্রশাসনকে পুরোপুরি উপেক্ষা করলেও সরকারের জন্য সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই রাজনৈতিক সরকারের সঙ্গে প্রশাসনের সম্পর্ক হওয়া প্রয়োজন দায়িত্ব, পেশাদারিত্ব ও পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে।

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে অসন্তোষ

সরকারের প্রথম ছয় মাসে প্রশাসনের শীর্ষ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। আওয়ামী লীগ ও পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখছে।

প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে এ ধরনের নিয়োগ নিয়মিত কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সুযোগ সংকুচিত করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একটি সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হলে অন্তত এক বছর ওই পদে নতুন করে পদোন্নতির সুযোগ কমে যায়। এর প্রভাব নিচের সারির কয়েকজন কর্মকর্তার ক্যারিয়ারেও পড়ে।

বিশেষ করে আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে সচিব ও অতিরিক্ত সচিব হওয়ার অপেক্ষায় থাকা কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নিয়ে হতাশা বাড়ছে। একই কর্মকর্তাকে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আবারও চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনা অসন্তোষ আরও বাড়িয়েছে।

বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিবসহ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া সিনিয়র সচিব, সচিব ও সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন ২২ জন। এর বাইরে গত ২৩ জুলাই নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিবসহ গ্রেড-২ পদমর্যাদার আরও ১২টি গুরুত্বপূর্ণ পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক নিয়োগ নিয়েও আলোচনা

সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনের শীর্ষ পদে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও অঙ্গসংগঠনের সাবেক নেতাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়েও প্রশাসনে আলোচনা চলছে।

বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিবসহ ১২টি গুরুত্বপূর্ণ পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সিদ্ধান্তকে ঘিরে পদোন্নতির অপেক্ষায় থাকা কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে অনেকে অনাগ্রহী।

সরকারের দৃষ্টিতে এসব নিয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও গতিশীল করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হলেও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কাছে এর প্রয়োজনীয়তা যথেষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা যায়নি-এমন অভিযোগও রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ প্রত্যাশার মধ্যে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে।

See also  ড্রাইভিং টেস্টের পর সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে জাইমা রহমানের ভাবনা

মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের ঘাটতি

বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাসে মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এই সময়ে প্রধানমন্ত্রী মাত্র একবার জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন।

তবে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের বাইরেও মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় প্রয়োজন। হাম টিকাদান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা ও মনিটরিং করা জরুরি। সরকারের বিভিন্ন নির্দেশনা উপজেলা পর্যায়ে যথাযথভাবে বাস্তবায়িত না হওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে।

এ কারণে মাঠ প্রশাসনের ওপর সরকারের নজরদারি ও সমন্বয় আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পে স্কেল নিয়ে দুই ধরনের চাপ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের আগে নতুন পে স্কেলের বিষয়টি বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে এসেছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করলে সরকারের আর্থিক চাপ আরও বাড়তে পারে।

সরকারের পক্ষ থেকে সেপ্টেম্বরে নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং অক্টোবর থেকে সরকারি কর্মচারীদের নতুন কাঠামোয় বেতন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে এটি কার্যকর হলে মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবার পে স্কেল বাস্তবায়ন না করলে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মনে করেন, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নে সরকার রাজনৈতিক সাহস দেখাতে পারছে না। বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখলে সমস্যা কমবে না; বরং যত দেরি হবে, পরিস্থিতি তত জটিল হবে।

প্রশাসনে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার হয়নি

দীর্ঘ ১৭ বছর প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ বিএনপির রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে কাজ করেছে-এমন অভিযোগ বিএনপির দীর্ঘদিনের। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বিএনপিবিরোধী হিসেবে পরিচিত কর্মকর্তাদের রাখে-এমন অভিযোগও রয়েছে।

See also  মুন্সীগঞ্জ কারাগারে থাকা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি

বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাস পরও প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বা শুদ্ধি অভিযান হয়নি বলে বিএনপির ভেতরে আলোচনা রয়েছে। এর মধ্যে অনেক কর্মকর্তা অবস্থান পরিবর্তন করে সরকারের ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি সরকারের জন্য নতুন সমস্যার কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

‘অতি উৎসাহীদের’ প্রভাব নিয়েও প্রশ্ন

সরকারের প্রথম ছয় মাসে প্রশাসন ও পুলিশে বিএনপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা দাবি করা কিছু নতুন মুখের প্রভাব বাড়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। প্রশাসনে বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে এদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে।

এ ধরনের তৎপরতা প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটানোর পাশাপাশি যোগ্য ও মেধাবী কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এতে কর্মকর্তাদের কাজের আগ্রহ ও পেশাদারিত্বও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

৩১ দফার আলোকে প্রশাসন পুনর্গঠনের তাগিদ

গত ছয় মাসে সরকারের লক্ষ্য ও কর্মপরিকল্পনার একটি রূপরেখা পাওয়া গেলেও সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন দক্ষ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন। রাজনৈতিক সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রশাসনকে কার্যকর অংশীদার হিসেবে কাজ করতে হবে।

এ জন্য দলীয় প্রভাবমুক্ত প্রশাসন, মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতে নিয়োগ-পদোন্নতি, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচিতে এসব বিষয়ে প্রতিশ্রুতিও রয়েছে।

তবে সরকারের প্রথম ছয় মাসে সেই অঙ্গীকার অনুযায়ী প্রশাসনকে পুনর্গঠনের দৃশ্যমান উদ্যোগ খুব বেশি দেখা যায়নি। ফলে সরকার ও প্রশাসনের মধ্যে যে আস্থা ও সমন্বয়ের ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত কাটিয়ে ওঠা জরুরি।

সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও কর্মসূচির সঙ্গে প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে না পারলে ভালো উদ্যোগও বাস্তবায়নের পর্যায়ে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই ৩১ দফার আলোকে প্রশাসনকে দক্ষ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোয় পুনর্গঠনের বিষয়টি সরকারের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঢাবিতে তোফাজ্জল হ*ত্যা: দুই বছরেও শুরু হয়নি বিচার, পলাতক ১৭ আসামি

ঠিকাদারি বিরোধে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে গায়েবি- মামলা, ওসি বদলি

জ্বালানি সংকটে পাকিস্তানে সরকারি গাড়ির বরাদ্দ কমল, বিদেশ সফর-নৈশভোজে নিষেধাজ্ঞা

ইরান ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে রাশিয়া-চীনের ভেটো

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কাদের সিদ্দিকীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ভূমধ্যসাগরে ট্রলারডুবিতে ৮ বাংলাদেশির মৃ*ত্যু, মানবপাচার চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

সংকট কাটিয়ে পোশাক রপ্তানি বাড়ার আভাস বিজিএমইএ সভাপতির

লংমার্চে বাধা না দেওয়ার আহ্বান, প্রতিহতের হুঁশিয়ারি ১১ দলের

ইসির বৈঠক শুরু, চূড়ান্ত হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়

আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর আর্থিক তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি

১০

বন্যার পর বাংলাদেশের সহায়তায় তারেক রহমানকে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা

১১

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে আজ ইসির বৈঠক

১২

নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম ৩ টাকা বাড়ল, প্রজ্ঞাপন জারি

১৩

স্থানীয় সরকার নির্বাচন মে পর্যন্ত পিছোতে পারে, পরীক্ষা-রমজান-ঈদ সামনে

১৪

নৌকা স্থগিত, সংরক্ষিত ১২০ প্রতীক, একক প্রার্থীর ক্ষেত্রেও থাকবে না-ভোট

১৫

শাপলা চত্বরের শহীদ পরিবারকে রাষ্ট্রীয় সম্মান: আসিফ মাহমুদকে মামুনুল হকের কৃতজ্ঞতা

১৬

গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আলামিনের মায়ের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৭

বন্ধ ও অস্তিত্বহীন চালকল থেকেও চাল কিনছে সরকার, রায়গঞ্জে অনিয়মের অভিযোগ

১৮

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি দেশের ভয়ে গড়িমসি: আজহারুল ইসলাম

১৯

আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের চার্জশিট

২০