skynews
৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

ডিসেম্বর ঘিরে আওয়ামী লীগের নতুন তৎপরতা, নাশকতার আশঙ্কায় সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ডিসেম্বর ঘিরে আওয়ামী লীগের নতুন তৎপরতা, নাশকতার আশঙ্কায় সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অনেকটা নিষ্ক্রিয় থাকলেও ডিসেম্বরকে সামনে রেখে নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। দলটির মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখা, পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক মিছিলের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ডিসেম্বর ঘিরে আওয়ামী লীগের নতুন তৎপরতা, নাশকতার আশঙ্কায় সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ডিসেম্বরকে সামনে রেখে বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সূত্রগুলো বলছে, আধুনিক প্রযুক্তি ও বিভিন্ন এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে দেশে থাকা নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিদেশে অবস্থানরত দলীয় নেতাদের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। নারায়ণগঞ্জের পলাতক নেতা শামীম ওসমানও ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এসব তথ্যের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে সরকারের উচ্চপর্যায়ে অবহিত করা হয়েছে বলে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।

ঝটিকা মিছিল নিয়ে উদ্বেগ

গত দুই সপ্তাহে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বেশ কয়েকটি ঝটিকা মিছিলের তথ্য পাওয়া গেছে। বনানী, ময়মনসিংহ, শরীয়তপুর, সাভার ও সুনামগঞ্জের ঘটনাগুলো নিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এরই মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সব ইউনিটকে সতর্ক করে মাঠপর্যায়ে বার্তা পাঠানো হয়েছে। ময়মনসিংহের গাঙ্গিনাপাড় এলাকায় যুবলীগের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিল ঠেকাতে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কোতোয়ালি মডেল থানার ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির পুরো টিম প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফাঁড়ির ইনচার্জসহ ওই টিমে সদস্য ছিলেন ২৭ জন।

বিশ্লেষক ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণহত্যার পর সাধারণ মানুষের ব্যাপক ক্ষোভের মধ্যে আওয়ামী লীগের দ্রুত দেশে ফিরে এসে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত হওয়া সহজ হবে না। তাদের ধারণা, বর্তমান তৎপরতার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো কর্মীদের মনোবল ধরে রাখা এবং রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা।

See also  জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন খলিলুর রহমান

তবে সম্ভাব্য নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অর্থ খরচ করে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা হতে পারে

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজি) আব্দুল কাইয়ুম যুগান্তরকে বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায় থেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অনেক নেতা দুর্নীতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছিলেন। তাদের হাতে বিপুল অর্থ রয়েছে। সেই অর্থ ব্যবহার করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা হতে পারে।

তবে এ ধরনের প্রচেষ্টা সফল হবে বলে মনে করেন না তিনি। তার মতে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণহত্যার স্মৃতি এখনো মানুষের মনে তাজা। নারী, শিশু ও সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের কারণে দলটির প্রতি সাধারণ মানুষের মধ্যে সহানুভূতি বা সমর্থন নেই।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকতে হবে। চরমপন্থি যোগাযোগ কিংবা দেশি-বিদেশি কোনো চক্রান্তের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা যেন সফল না হয়, সেজন্য আগাম তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি ফ্যাসিস্টবিরোধী ঐক্য আরও জোরদার করার কথাও বলেন তিনি।

যেসব জেলায় যোগাযোগ বেশি

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলার নেতাকর্মীরা বিদেশে অবস্থানরত পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তুলনামূলক বেশি যোগাযোগ রাখছেন।

আধুনিক প্রযুক্তি এবং এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহার করে দেশ ও দেশের বাইরে থাকা নেতাকর্মীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি। সরকারবিরোধী তৎপরতা চালানোর জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যের আড়ালে তহবিল গঠনেরও চেষ্টা চলছে বলে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে।

পুলিশের একজন অতিরিক্ত আইজি যুগান্তরকে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের তিন মেয়াদে বিপুলসংখ্যক কনস্টেবল, এসআই ও এএসপি নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শীর্ষ পর্যায়ের কিছু কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হলেও মাঠপর্যায়ে এখনো আওয়ামীপন্থি অনেক কর্মকর্তা রয়েছেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কর্মকর্তার কারও কারও সঙ্গে বিদেশে পলাতক সাবেক সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাদের যোগাযোগ রয়েছে-এমন আলোচনা রয়েছে।

See also  বিশেষ কৌশলে সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশা- প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীর যেসব এলাকায় আত্মগোপনের অভিযোগ

গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর কয়েকটি আবাসিক এলাকাকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নিয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠনটির ক্যাডাররা। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে ভাটারা, বনশ্রী, আফতাবনগর, মহানগর আবাসিক, খিলক্ষেত, নিকুঞ্জ, মোহাম্মদপুর, বসিলা, কামরাঙ্গীরচর, শনির আখড়া, যাত্রাবাড়ী ও উত্তরা।

এ ছাড়া ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অনেকে এসব এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও সূত্রের দাবি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে চলা এবং নিজেদের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে আত্মগোপনে থাকা ব্যক্তিরা বিভিন্ন পেশা বেছে নিয়েছেন বলেও গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। কেউ রাইড শেয়ারিংয়ের মোটরসাইকেল বা অটোরিকশা চালাচ্ছেন, কেউ বিউটি পার্লার কিংবা মোটরসাইকেলের শোরুম চালু করেছেন। আবার অনেকে আওয়ামীপন্থি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিয়েছেন।

কিছু ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে থাকা অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে এবং আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রচার চালানোর অভিযোগও রয়েছে।

যেসব নেতার সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য

সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশে অবস্থানরত নেতাকর্মীরা বিদেশে পলাতক যেসব নেতার সঙ্গে বেশি যোগাযোগ রাখছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন—ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, নসরুল হামিদ বিপু, এনামুল হক শামীম, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, নিক্সন চৌধুরী, নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, নজরুল ইসলাম বাবু এবং পিরোজপুরের মহিউদ্দিন মহারাজ।

বোমা ও বিস্ফোরক উদ্ধারে বাড়ছে উদ্বেগ

সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ককটেল ও বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও বোমা তৈরির সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে।

গোয়েন্দাদের ধারণা, এসব ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো কিংবা গোপনে নাশকতার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগাম ইঙ্গিত হতে পারে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) নাঈম আশফাক চৌধুরী বলেন, দেশে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরপরই নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে যে অস্থিরতা ও নাজুক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, বর্তমানে তার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

See also  নানা সংকটেও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে কাজ করছে সরকার

তার মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতাও আগের তুলনায় বেড়েছে। জনগণের সহযোগিতা থাকলে যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করা সম্ভব।

যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়নি

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, সরকার পতনের পর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে তৃণমূলের কর্মীদের অনেকে আত্মগোপনে চলে গেলেও তাদের পারস্পরিক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়নি।

দলের অনেক নেতাকর্মী ঢাকার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকা এবং দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরে আশ্রয় নিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। কেউ কেউ ছদ্মবেশে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় অবস্থান করেও রাজনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখছেন।

টেলিগ্রাম, ফেসবুকসহ বিভিন্ন এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে শেখ হাসিনার বার্তা ছড়িয়ে নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখার চেষ্টা চলছে বলেও জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র। একই সঙ্গে ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সংগঠিত ও সক্রিয় রাখার চেষ্টা চলছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ যুগান্তরকে বলেন, অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং নিয়মিত গ্রেফতার করা হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে বিশেষ কোনো মহল কাজ করছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে।

‘ফিরে আসার ঘোষণা মূলত কর্মীদের চাঙা রাখার কৌশল’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও সমাজ-অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক মনে করেন, ডিসেম্বরের মধ্যে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার ঘোষণা মূলত দলটির রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এবং নেতাকর্মীদের চাঙা রাখার কৌশল।

তিনি বলেন, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর রাতারাতি কিংবা নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা ঘোষণা করে রাজনৈতিকভাবে ফিরে আসা সহজ নয়। বিগত সরকারের কর্মকাণ্ডের দায়ভার এবং সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে দলটির সামনে বড় প্রশ্ন হলো-তারা কীভাবে জনগণের সামনে দাঁড়াবে।

তার মতে, যে দল বা ব্যক্তিদের কারণে দেশে চরম রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তারা খুব সহজেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করে হঠাৎ রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরে আসতে পারবে-এমনটি ভাবার সুযোগ নেই।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঢাবিতে তোফাজ্জল হ*ত্যা: দুই বছরেও শুরু হয়নি বিচার, পলাতক ১৭ আসামি

ঠিকাদারি বিরোধে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে গায়েবি- মামলা, ওসি বদলি

জ্বালানি সংকটে পাকিস্তানে সরকারি গাড়ির বরাদ্দ কমল, বিদেশ সফর-নৈশভোজে নিষেধাজ্ঞা

ইরান ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে রাশিয়া-চীনের ভেটো

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কাদের সিদ্দিকীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ভূমধ্যসাগরে ট্রলারডুবিতে ৮ বাংলাদেশির মৃ*ত্যু, মানবপাচার চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

সংকট কাটিয়ে পোশাক রপ্তানি বাড়ার আভাস বিজিএমইএ সভাপতির

লংমার্চে বাধা না দেওয়ার আহ্বান, প্রতিহতের হুঁশিয়ারি ১১ দলের

ইসির বৈঠক শুরু, চূড়ান্ত হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়

আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর আর্থিক তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি

১০

বন্যার পর বাংলাদেশের সহায়তায় তারেক রহমানকে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা

১১

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে আজ ইসির বৈঠক

১২

নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম ৩ টাকা বাড়ল, প্রজ্ঞাপন জারি

১৩

স্থানীয় সরকার নির্বাচন মে পর্যন্ত পিছোতে পারে, পরীক্ষা-রমজান-ঈদ সামনে

১৪

নৌকা স্থগিত, সংরক্ষিত ১২০ প্রতীক, একক প্রার্থীর ক্ষেত্রেও থাকবে না-ভোট

১৫

শাপলা চত্বরের শহীদ পরিবারকে রাষ্ট্রীয় সম্মান: আসিফ মাহমুদকে মামুনুল হকের কৃতজ্ঞতা

১৬

গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আলামিনের মায়ের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৭

বন্ধ ও অস্তিত্বহীন চালকল থেকেও চাল কিনছে সরকার, রায়গঞ্জে অনিয়মের অভিযোগ

১৮

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি দেশের ভয়ে গড়িমসি: আজহারুল ইসলাম

১৯

আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের চার্জশিট

২০