
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশংসা করে নতুন বার্তা দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা মোকাবিলায় এই বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা মেহেরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সপ্তাহ’ উপলক্ষে দেওয়া বার্তায় মোজতবা খামেনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাহিনীর সদস্যদের অবদান ও সাহসিকতার প্রশংসা করেন।
বার্তায় তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানের নিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন সংঘাত ও যুদ্ধের সময় তাদের অবদান আরও স্পষ্টভাবে সামনে এসেছে।
মোজতবা খামেনি বলেন, নিরাপত্তা আল্লাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। ইরানের বড় শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম ও ছোট ছোট জনবসতি-সব জায়গায় নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। প্রতিকূল আবহাওয়া, পাহাড়ি ও সামুদ্রিক পরিবেশে কঠিন সীমান্ত পাহারা দেওয়া থেকে শুরু করে সমতল ভূমি, বনাঞ্চল ও দেশের কেন্দ্রীয় এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা বজায় রাখতে তাদের সাহসিকতা ও নিরলস পরিশ্রমের প্রশংসা করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, এই বাহিনী দেশের নিরাপত্তার অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও স্টাফ পর্যায় থেকে শুরু করে থানা এবং পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত আরও জোরদার হয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের সময় তাদের দায়িত্ব ও প্রভাব আরও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
মোজতবা খামেনি বলেন, মার্কিন-জায়নবাদী শত্রুরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সম্মুখসারির ইউনিট পর্যন্ত হামলা চালাতে বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে এবং মরিয়া প্রচেষ্টা চালিয়েছে। এতে এই প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সমাজের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার ভিত্তি হিসেবে কাজ করা প্রতিষ্ঠানটির ওপর বিদ্বেষপূর্ণ হামলা ও চাপ সত্ত্বেও বাহিনীর সাহসী সদস্যরা দায়িত্ব পালনে সামান্যতম বিচ্যুত হননি। তাঁর মতে, নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর এ ধরনের মরিয়া আঘাতের নজির ইতিহাসে নেই।
মন্তব্য করুন