
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নির্বাচিত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্যের বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান। তিনি জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং শিগগিরই মিশনের নিয়োগ হবে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান লিখেছেন, ‘আমি একটু আগে আমাদের শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি দ্রুতই সমাধান হবে এবং সে (মিশন) শিগগিরই নিয়োগ পাবে।’
তিনি আরও বলেন, চাকরিপ্রত্যাশী মিশন তার এলাকার হওয়ায় ঝিনাইদহ থেকে অনেকেই বিষয়টি তাকে জানিয়েছেন। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদও জানান তিনি।
রাশেদ খানের সঙ্গে কথা বলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিশন আচার্য। তিনি জানান, রাশেদ খান তাকে আশ্বস্ত করেছেন। পাশাপাশি ঢাকায় গিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়েও তার সঙ্গে কথা হয়েছে।
মিশন আচার্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায়।
মিশনের অভিযোগ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য তিনি নির্বাচিত হন। উপজেলা পর্যায়ে তার অবস্থান ছিল ১৭তম। মোট ১৮২ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হলেও নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে ১৮০ জনকে। বাকি দুজনের একজনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং অন্যজন মিশন নিজে।
মিশনের দাবি, তার স্থায়ী ঠিকানায় কোনো বসতভিটা নেই। তার বাবা বহু বছর আগে পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়ায় বাবার ঠিকানা থেকে তিনি বঞ্চিত হন। এরপর থেকে মায়ের সঙ্গে ঝিনাইদহে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন তিনি।
মিশন আরও জানান, কলাবাগান এলাকাতেই তার জন্ম এবং জন্মের পর থেকে সেখানেই বসবাস করে আসছেন। তবে স্থায়ী ঠিকানায় বসতভিটা না থাকায় তার নিয়োগ আটকে গেছে বলে অভিযোগ তার।
মন্তব্য করুন