
রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ট্রলির ওপর এক কিশোরীর মরদেহ রেখে পালিয়ে গেছেন দুই ব্যক্তি। নিহত কিশোরীর বয়স আনুমানিক ১৫ বছর। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কিশোরীকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
হাসপাতালের টলিম্যান আব্দুর রউফ জানান, আনুমানিক ৩৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী দুই ব্যক্তি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে কিশোরীকে জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন। তিনি সেখানে এগিয়ে গেলে ওই দুই ব্যক্তি কিশোরীকে ট্রলিতে তুলে দেন। এরপর জরুরি বিভাগের টিকিট কাটার কথা বলে তারা দ্রুত সেখান থেকে চলে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরীর গলায় ফাঁস লাগার দাগ এবং দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে তার মৃত্যু হত্যা, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কিশোরীর শরীরে আঘাতের পাশাপাশি গলায় ফাঁসের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি জানান, প্রযুক্তির সহায়তায় কিশোরীর নাম-পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ পালিয়ে যাওয়া দুই ব্যক্তিকে শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন