skynews
৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯:০৮ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

‘বিরোধিতা করলে ইতিহাস থেকেই মুছে ফেলা হবে, ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম

‘বিরোধিতা করলে ইতিহাস থেকেই মুছে ফেলা হবে, ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন, কোনো আদর্শিক গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ইতিহাস থেকেই মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়।

‘বিরোধিতা করলে ইতিহাস থেকেই মুছে ফেলা হবে, ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম

একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কোনো দলে যোগ না দিলে প্রতিষ্ঠাতা বা নীতিনির্ধারকদের একজন হলেও সেই দলের ইতিহাসে তার নাম উপেক্ষিত হতে পারে।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টের শুরুতে মাহফুজ আলম লেখেন, ‘মুক্তির দিনে এসে এসব বেমানান, তবু জানিয়ে যাই, ইতিহাস এক মাছের পুকুর কিংবা বাজার।’

ইতিহাসের বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ইতিহাসের মাৎস্যন্যায় তো বাস্তব। বড় মাছ মেজো বা ছোট মাছকে গিলে খাবে। মেজো বা ছোট মাছ আবার বড় হয়ে অন্যদের গিলে খাবে। গত দুই বছরে কি হয়নি এসব? আবারও হবে। সময় এলে সেখানে অন্যরা থাকবে না।’

মাহফুজ আলম আরও লেখেন, কোনো আদর্শিক গোষ্ঠীর বিরোধিতা করলে একজন মানুষকে এমনভাবে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়, যেন তিনি কখনো ছিলেনই না। আর যদি থাকেনও, তাহলে তাকে ‘গাদ্দার’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। বিপরীতে, সেই আদর্শিক গোষ্ঠীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চললে সহজেই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে পরিণত হওয়া সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

একই পোস্টে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ না দিলে, সেই দলের প্রতিষ্ঠাতা বা নীতিনির্ধারকদের একজন হয়েও দলের নেতাকর্মীরা তার নাম উল্লেখ করেন না। এমনকি দলের তৈরি কোনো ঘটনার ইতিহাসেও তার নাম থাকে না; থাকলেও দায় চাপানোর প্রসঙ্গেই তা উল্লেখ করা হয়। অথচ ওই ঘটনার নীতিনির্ধারণে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকতে পারে।

পোস্টের শেষাংশে মাহফুজ আলম লেখেন, যার হাতে ক্ষমতা থাকে, শেষ পর্যন্ত ইতিহাসও তারাই লেখে। তার মতে, রাজনৈতিক দল বা আদর্শিক গোষ্ঠীগুলো ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ইতিহাসের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায় এবং ক্ষমতায় গেলে কাদের ইতিহাস লেখা হবে আর কাদের বাদ দেওয়া হবে, সেটিও তারা নির্ধারণ করে।

Facebook Comments Box
See also  গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুবিতে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা, গন্ধমতিতে দ্বিতীয় জানাজা

হাসানুল হক ইনুর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ, তিন অভিযোগে ১০ বছরের সাজা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিলেন খলিলুর রহমান

যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণে আহত ২, স্প্লিন্টার বিদ্ধ

ময়মনসিংহে টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন

মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন, হতাহত সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তথ্য নেই

নবম পে স্কেলের ভেটিং শেষ, আজই প্রজ্ঞাপন প্রকাশের সম্ভাবনা

রিয়াদে সতর্কবার্তার পর বিকট বিস্ফোরণের শব্দ, বিপদ কেটে যাওয়ার ঘোষণা

ছয় দফা এক দফায় রূপ নিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে: শফিকুর রহমান

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ছাড়া সরকারের বিকল্প নেই: মামুনুল হক

১০

যাত্রাবাড়ী থানার সামনে পরপর ককটেল বিস্ফোরণ, গুলিবিদ্ধ ১

১১

ঢাবিতে তোফাজ্জল হ*ত্যা: দুই বছরেও শুরু হয়নি বিচার, পলাতক ১৭ আসামি

১২

ঠিকাদারি বিরোধে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে গায়েবি- মামলা, ওসি বদলি

১৩

জ্বালানি সংকটে পাকিস্তানে সরকারি গাড়ির বরাদ্দ কমল, বিদেশ সফর-নৈশভোজে নিষেধাজ্ঞা

১৪

ইরান ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে রাশিয়া-চীনের ভেটো

১৫

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কাদের সিদ্দিকীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

১৬

ভূমধ্যসাগরে ট্রলারডুবিতে ৮ বাংলাদেশির মৃ*ত্যু, মানবপাচার চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

১৭

সংকট কাটিয়ে পোশাক রপ্তানি বাড়ার আভাস বিজিএমইএ সভাপতির

১৮

লংমার্চে বাধা না দেওয়ার আহ্বান, প্রতিহতের হুঁশিয়ারি ১১ দলের

১৯

ইসির বৈঠক শুরু, চূড়ান্ত হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়

২০