
পটুয়াখালী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মিজানুর রহমান ওরফে মনির খান (৪৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা*রা গেছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মিজানুর রহমান গত বছরের জুনে গ্রেফতার হন। চলতি বছরের জুনে কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। মৃ*ত্যু*র সাত দিন আগে, ৩০ জুলাই, সর্বশেষ মামলায় তিনি জামিন পান।

মৃ*তে*র মামা সিরাজ মুন্সি জানান, মিজানুর রহমানের বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার বহালগাছিয়া গ্রামে। তার বাবা ছিলেন মৃত আব্দুল খালেক। রাজনৈতিক জীবনে তিনি উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, পটুয়াখালী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে মিজানুর রহমান আত্মগোপনে ছিলেন। ২০২৫ সালের ১৫ জুন তাকে আটক করা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে ছয়টি ঢাকায় এবং দুটি পটুয়াখালী সদর উপজেলায়।
পরিবারের দাবি, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) এ থাকা অবস্থায় ২০২৬ সালের ৯ জুন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েকদিনের মধ্যে অবস্থার আরও অবনতি হলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। প্রায় দুই মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার তিনি মা*রা যান। এর আগে সাতটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছিলেন। সবশেষ মামলার জামিনও মঞ্জুর হয় ৩০ জুলাই, যখন তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজানুর রহমান মা*রা গেছেন। পরে স্বজনরা তার ম*র*দেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান।
মন্তব্য করুন